আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগ

সম্পাদকীয় নীতি

জনবয়ানে খবর প্রকাশের আগে কোন নিয়ম মানা হয় আর কীভাবে যাচাই হয়, এখানে খোলাখুলি লেখা আছে।

সংক্ষেপে: মূল তথ্য একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে মিললে তবেই খবর প্রকাশ হয়। স্পর্শকাতর খবর একজন সম্পাদক যাচাই না করা পর্যন্ত প্রকাশ হয় না। ভুল হলে প্রকাশ্যে সংশোধন করা হয়।

১. সূত্র

  • শুধু প্রকাশ্যে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করা হয়। পেওয়াল বা লগইনের পেছনের কিছু নেওয়া হয় না, আর প্রতিটি সাইটের robots.txt মানা হয়।
  • অন্যের লেখা নকল করা হয় না। কারও বক্তব্য উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে থাকতে পারে।
  • মূল তথ্য অন্তত দুটি আলাদা নির্ভরযোগ্য সূত্রে না মিললে খবর সাধারণত প্রকাশ হয় না।
  • প্রতিটি খবরের সূত্রের তালিকা আমাদের সম্পাদকীয় রেকর্ডে সংরক্ষিত থাকে। কোনো তথ্য কোথা থেকে এসেছে জানতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

২. প্রকাশের আগে যাচাই

প্রতিটি খবরকে প্রকাশের আগে এই পরীক্ষাগুলো পার হতে হয়:

  • যথেষ্ট তথ্য আছে কি না, আর মূল তথ্য একাধিক সূত্রে মেলে কি না।
  • লেখার প্রতিটি সংখ্যা ও তারিখ সূত্রে আছে কি না।
  • অন্য কারও লেখা নকল কি না।
  • পাঠককে বোঝাতে পটভূমি বা প্রেক্ষাপট আছে কি না।
  • শিরোনাম খবরের সঙ্গে মেলে কি না, আর খবরে যা নেই তার প্রতিশ্রুতি দেয় কি না।
  • গত দুই দিনে একই খবর আগেই প্রকাশ হয়েছে কি না।
  • লেখা বাংলায় কি না, দৈর্ঘ্য ঠিক আছে কি না।

কোনো পরীক্ষা ব্যর্থ হলে খবরটি বাতিল হয় অথবা সম্পাদকের যাচাইয়ের জন্য আটকে থাকে।

৩. স্পর্শকাতর খবর: সম্পাদকের সিদ্ধান্ত

নিচের বিষয়গুলোর খবর সম্পাদকের অনুমোদন ছাড়া কখনো প্রকাশ হয় না:

  • অপরাধ ও গ্রেপ্তার, মৃত্যু ও দুর্ঘটনা
  • রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত অভিযোগ
  • স্বাস্থ্য বা চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ, টাকাপয়সা বা বিনিয়োগের দাবি
  • শিশু বা কোনো ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশের ঝুঁকি
  • একটিমাত্র সূত্রের ব্রেকিং খবর, অথবা সূত্রগুলোর মধ্যে অমিল

এসব খবর একজন সম্পাদক আগে একটি যাচাই তালিকা ধরে মিলিয়ে দেখেন। তালিকায় থাকে: সূত্র, নাম-সংখ্যা, অভিযোগ যেন "অভিযোগ" হিসেবেই লেখা থাকে, গোপনীয়তা, পরামর্শ না দেওয়া আর সংযত শিরোনাম। এরপরই প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয়। কোন সম্পাদক কখন কী করেছেন, সব রেকর্ডে থাকে।

৪. লেখার ধরন

  • নিরপেক্ষ ভাষা। অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে লেখা হয় না।
  • শিরোনাম পাঠককে আগ্রহী করতে পারে, কিন্তু বিভ্রান্তিকর বা অতিরঞ্জিত হবে না।
  • শিশু, ভুক্তভোগী বা সাধারণ মানুষের পরিচয় সুরক্ষিত রাখা হয়।

৫. ছবি

অন্য সংবাদমাধ্যমের ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয় না। আমাদের নিজস্ব প্রতীকী ছবির ওপর "প্রতীকী ছবি" লেখা থাকে। কোনো আসল মানুষ বা ঘটনার ছবি হিসেবে এমন ছবি দেখানো হয় না। অপরাধ, মৃত্যু বা শিশু-সংক্রান্ত খবরে প্রতীকী ছবি ব্যবহার করা হয় না।

৬. স্বাধীনতা ও বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপনদাতা বা অন্য কারও প্রভাবে খবর বদলানো হয় না। বিজ্ঞাপন সবসময় আলাদা করে "বিজ্ঞাপন" লেখা থাকবে। টাকার বিনিময়ে লেখা কোনো কনটেন্ট খবর হিসেবে দেখানো হয় না। বিস্তারিত: বিজ্ঞাপন নীতি।

৭. ভুল ও সংশোধন

ভুল হলে আমরা তা স্বীকার করি। খবর সংশোধন করা হলে তার নিচে তারিখসহ সংশোধনী নোট থাকে। দেখুন সংশোধন নীতি। ভুল জানাতে এখানে লিখুন।

শেষ হালনাগাদ: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬