আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগ
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদত্যাগ

নির্বাচনের ফলের পর বিচার বিভাগে তদারকি বাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। নতুন কর্মকর্তা নিয়োগেও সিনেটের রাজনৈতিক পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

প্রকাশ:

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর দেশটির বিচার বিভাগের তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ তাঁদের বিদায়ের কথা জানিয়েছেন।

পদ ছেড়েছেন দক্ষিণ ফ্লোরিডার মার্কিন অ্যাটর্নি জেসন রেডিং কুইনোনস, জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান জন আইজেনবার্গ এবং নাগরিক অধিকার বিভাগের প্রধান হারমিত ধিলন। আইজেনবার্গ শুক্রবার পদত্যাগের কথা জানান। ধিলন বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেন।

ব্লাঞ্চ জানিয়েছেন, তিনি ধিলনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। ধিলন তাঁর পদত্যাগপত্রে জানান, অক্টোবরেই তিনি সেটি জমা দিয়েছিলেন। তবে নির্বাচনের সময় পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে তিনি রাজি হয়েছিলেন।

শুক্রবার কুইনোনসের বিদায়ের কথাও জানান ব্লাঞ্চ। তাঁর নেতৃত্বের জন্য বিচার বিভাগের কৃতজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

পটভূমি

প্রায় ৩০টি অঙ্গরাজ্যে ভোটার নিবন্ধনের তালিকা সংগ্রহের একটি ব্যর্থ উদ্যোগে ধিলন যুক্ত ছিলেন। নাগরিক অধিকার বিভাগের প্রধান হিসেবে পদ ছাড়ার আগে তিনি নির্বাচনের সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন।

কুইনোনস কয়েকজন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের তদারকিতে ছিলেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ ছিল, ওই কর্মকর্তারা তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চেয়েছিলেন। ট্রাম্প ও তাঁর প্রচারাভিযান নিয়ে ২০১৬ থেকে ২০২৪ সালের তদন্তে যুক্ত সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফোর্ট পিয়ার্সে গ্র্যান্ড জুরি ব্যবহারের উদ্যোগেও কুইনোনস যুক্ত ছিলেন।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলের পর কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের তদারকি বাড়তে পারে বলে বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে আইনি ও রাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ ও অনুমোদনের ক্ষেত্রেও সিনেটের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বাধা হতে পারে।

যা জানা গেছে, যা এখনো অনিশ্চিত

নিশ্চিত

  • বিচার বিভাগের তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন বলে অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ জানিয়েছেন।
  • হারমিত ধিলন পদত্যাগপত্রে জানিয়েছেন, তিনি অক্টোবরে তা জমা দিয়েছিলেন এবং নির্বাচনের সময় পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে রাজি হয়েছিলেন।

অনিশ্চিত

  • শূন্য পদগুলোতে কাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, সরবরাহ করা তথ্যে তা জানানো হয়নি।
  • নির্বাচনের পর কংগ্রেসে তদারকি কতটা বাড়বে, তা নিশ্চিত নয়।

বিষয়:জেসন রেডিং কুইনোনসডোনাল্ড ট্রাম্পমধ্যবর্তী নির্বাচনযুক্তরাষ্ট্রহারমিত ধিলন

এই লেখায় কোনো সংশোধন হয়নি। ভুল জানান